nbajer-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম বাংলাদেশের সেরা প্লেয়ারদের জন্য তৈরি একটি বিশেষ সদস্যপদ। প্রিমিয়াম বোনাস, দ্রুততম পেমেন্ট, ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ও এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ – ভিআইপি হওয়ার সুবিধা অসীম।
যত বেশি খেলবেন, তত উঁচু স্তরে উঠবেন – প্রতিটি স্তরে নতুন পুরস্কার
প্রতিটি বেটের সাথে আপনি উঁচু স্তরে উঠছেন
nbajer ভিআইপি ক্লাবে থাকলে যা পাবেন
প্রতিটি ভিআইপি স্তরে কী কী পাবেন – একনজরে
অনলাইন বেটিং ও গেমিং-এর জগতে সত্যিকারের অভিজ্ঞতা তখনই পূর্ণ হয় যখন একজন সদস্য অনুভব করেন যে প্ল্যাটফর্মটি তাকে আলাদাভাবে মূল্য দিচ্ছে। nbajer-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম ঠিক সেই অনুভূতিটাই দেয়। এটা শুধু একটা লয়্যালটি স্কিম নয় – এটা বাংলাদেশের সেরা প্লেয়ারদের জন্য একটা বিশেষ মর্যাদার স্বীকৃতি।
nbajer-এ প্রতিদিন হাজারো মানুষ বেটিং করেন, গেম খেলেন। তাদের মধ্যে যারা নিয়মিত ও সক্রিয় সদস্য, তাদের জন্য আমাদের ভিআইপি ক্লাব তৈরি হয়েছে। এখানে চারটি স্তর আছে – সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড। প্রতিটি স্তরেই রয়েছে আলাদা আলাদা সুবিধার একটা সুন্দর প্যাকেজ।
nbajer-এ ভিআইপি হওয়া খুব কঠিন নয়। আপনি যত বেশি খেলবেন, তত দ্রুত উঁচু স্তরে উঠবেন। প্রতিটি বেট, প্রতিটি গেম সেশন আপনার ভিআইপি পয়েন্ট যোগ করে। মাসিক বেটিং ভলিউমের উপর ভিত্তি করে স্তর নির্ধারিত হয়।
সিলভার স্তরে আসতে মাসে মাত্র ৳২০,০০০ বেট করলেই যথেষ্ট। এটা অনেকের কাছে প্রথমে বড় মনে হলেও, nbajer-এ নিয়মিত ক্রিকেট বা ফুটবল বেটিং করলে এই পরিমাণ সহজেই পার হয়ে যায়। আর একবার ভিআইপি হয়ে গেলে সুবিধাগুলো এতটাই ভালো যে পয়েন্ট বজায় রাখার আলাদা উৎসাহ তৈরি হয়।
nbajer-এর ডায়মন্ড ভিআইপি স্তর হলো সবার উপরে। এখানে পৌঁছানো মানে আপনি বাংলাদেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও সক্রিয় প্লেয়ারদের একজন। ডায়মন্ড সদস্যরা পান ব্যক্তিগত ভিআইপি হোস্ট – একজন ডেডিকেটেড প্রতিনিধি যিনি শুধুমাত্র আপনার জন্যই কাজ করেন। যেকোনো সমস্যা, যেকোনো অনুরোধ – সব কিছু তাৎক্ষণিক সমাধান পায়।
ডায়মন্ড স্তরে উইথড্রয়াল সীমা সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়। মানে আপনি যতটুকু জিতেছেন, ততটুকুই তুলতে পারবেন – কোনো সীমা নেই। এটা nbajer-এর বিশ্বাসের একটা বড় প্রকাশ।
অনেকের কাছে নবায়ন প্লাটিনাম স্তরটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় কারণ এখানে সুবিধা ও বিনিয়োগের একটা চমৎকার ভারসাম্য আছে। ২২% সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, ডেডিকেটেড ম্যানেজার ও এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ – এই তিনটি মিলিয়ে প্লাটিনাম সদস্যপদ সত্যিই অসাধারণ।
nbajer-এর ভিআইপি ক্যাশব্যাক সিস্টেম অত্যন্ত স্বচ্ছ। প্রতি সপ্তাহে (সোমবার সকালে) আগের সপ্তাহের মোট লোকসানের একটা নির্দিষ্ট শতাংশ আপনার অ্যাকাউন্টে ফেরত আসে। কোনো জটিল শর্ত নেই, কোনো ওয়েজারিং রিকোয়ারমেন্ট নেই। আপনি যা পাবেন তা সরাসরি উইথড্রয়াল করতে পারবেন।
উদাহরণ হিসেবে – আপনি যদি গোল্ড ভিআইপি হন এবং গত সপ্তাহে ৳১০,০০০ লোকসান হয়, তাহলে সোমবারে ৳১,৫০০ (১৫%) সরাসরি আপনার ব্যালেন্সে যোগ হবে। ডায়মন্ড ভিআইপির ক্ষেত্রে একই লোকসানে ফেরত আসবে ৳৩,০০০ (৩০%)। এটা দীর্ঘমেয়াদে সত্যিকারের বড় পার্থক্য তৈরি করে।
nbajer বিশ্বাস করে যে সত্যিকারের লয়্যালটি পুরস্কৃত হওয়া উচিত। তাই আমাদের ভিআইপি প্রোগ্রাম তৈরি হয়েছে এমনভাবে যাতে প্রতিটি সক্রিয় সদস্য অনুভব করেন যে তাদের প্রতিটি বেট, প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তাদের কথায় জানুন ভিআইপি অভিজ্ঞতার গল্প
"ডায়মন্ড ভিআইপি হওয়ার পর থেকে nbajer আমার জন্য সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে। আমার ব্যক্তিগত হোস্ট যেকোনো সময় সাহায্য করেন। একবার রাত ৩টায় সমস্যা হয়েছিল – ১০ মিনিটের মধ্যে সমাধান পেয়েছি। এই পরিষেবার সাথে কোনো তুলনা হয় না।"
"প্লাটিনাম ভিআইপিতে আসার পর ক্যাশব্যাকটা সত্যিই চোখে পড়ার মতো। প্রতি সোমবার সকালে ব্যালেন্স চেক করি আর মনটা ভালো হয়ে যায়। টুর্নামেন্টগুলোও দারুণ – সেখানে জিতে আরও বড় পুরস্কার পাই।"
"গোল্ড ভিআইপিতে আছি কয়েক মাস হলো। সবচেয়ে ভালো লাগে উইথড্রয়াল স্পিডটা – mাত্র ৫ মিনিটে bKash-এ টাকা চলে আসে। আগে অন্য সাইটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতাম। nbajer-এ এসে সেই ঝামেলা সম্পূর্ণ নেই।"
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের সহজ উত্তর